সাদা ছুলি দূর করার ঘরোয়া উপায়

  বয়সের ছোট-বড় মানুষের এ রোগ হয়ে থাকে। বিশেষ করে বড়দের এ রোগটা বেশি দেখা দেয়। ছোটদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা কম বললে ভুল হবে, বর্তমান সময়ে প্রেক্ষাপটে এ রোগ বর্তমানে বড়দের মতো ছোটদেরও হয়ে থাকে। বড়দের এই রোগ নিয়ে ভয় পাবার কোনো কারণ নেই।রোগ যখন আছে তখন তার চিকিৎসাও আছে। অনেক রোগ আছে যার চিকিৎসা থাকে না বা তখনো আবিষ্কৃত হয়নি। কিন্তু এ রোগের যথাযথ উন্নত মানের চিকিৎসা রয়েছে।

 ছুলি রোগের সম্পর্কে যা জানতে পারবোঃ


ছুলি সাধারণত কোথায় কোথায় হয়

ছুলি ঘাড়, বগল, হাত, বুক, পিঠ, মুখ হয়ে থাকে সাধারণত। প্রাপ্ত বয়স্কদের পিঠে, বুকের মাঝে হয়ে থাকে বেশি। ছোটদের মুখে হয় বেশি ভাগ।

এ রোগ কখন হয় 

আরো পড়ুনঃ
বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে ও বর্ষায় স্যাঁতস্যাঁতে মৌসুমে এ রোগটি হয়ে থাকে। শরীরের তৈলাক্ত অংশে বেশি হয় বলা যায়। বেশী ঘামলে এ রোগ হয়। অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকলে এ রোগ বাসা বাধে শরীরে।

এটি হলে কি চুলকায়

এটি হলে সাধারণত চুলকানির মতো মনে হয়। যে স্থানে ছুলি হয়ে থাকে সে স্থানে চুলকানি হয় মূলত। কারণ এটি ছত্রাক জনিত রোগ আর ছত্রাক জনিত রোগে চুলকানি থাকাই স্বাভাবিক।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব 

অনেক সময় ঘাম মোছার অভাবে জীবন যাপন অপরিষ্কার থাকা এই ছুলি রোগের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অপরিষ্কার থাকায় ছত্রাক আক্রমণ বেশি হয়। এজন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা জরুরী।

আতঙ্কের বিষয় সমাজে যা

অনেকে মনে করে থাকেন ছুলি হওয়া এটি পাপ পুণ্যের সাথে সম্পর্কিত। সন্তান অতি মাত্রায় পাপ করে থাকেন তারা সচরাচর এ রোগ শাস্তি স্বরূপ পেয়ে থাকে। বাবার যদি এ রোগ হয়ে থাকে আগে সুস্থ সন্তানের এ রোগ হয়, তখনো বলে থাকে লোকজন যে বাবার শাস্তির ভাগিদার তার সন্তান স্বরূপ সন্তানও হইছে তখন সে ভোগ করছে। এ নিয়ে বিভিন্ন দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভোগে রোগী। কিন্তু এটি একদমই আক্ষেপের বিষয় না এটি হচ্ছে ভুল ধারণা যা মানুষের ভুল প্রচলিত মৌকে ভাঙা খুব দরকার। বৈজ্ঞানিক যুক্তি সম্মত কথার দ্বারা তা জানানো প্রয়োজন। এ সমস্ত রোগ হলে রোগীর প্রতি আতঙ্ক না ছড়িয়ে তার প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।

চরম দুশ্চিন্তার বিষয় 

অনেকে ভেবে থাকেন এটি ক্যান্সার জাতীয় রোগ। ক্যান্সার হলে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা কমে যায়। সে ক্ষেত্রে অনেকের মনে জাগে এ রোগ হলো হয়তো আর বেশি দিন বাঁচবো না। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তেমন না। এ রোগ হলে কেউ মরে মারা যায় না এটি মরণব্যাধী রোগ না।যথাযথ চিকিৎসা নিলে এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। দুশ্চিন্তা না করে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরী।

ডাক্তারের বক্তব্য 

এটি একটি ছত্রাক জনিত রোগ, এ বিশেষ রোগ হওয়ার পিছে কিছু কারণ রয়েছে—শরীরের হরমোনাল ইনব্যালেন্স, জেনেটিক ভাবে পাওয়া, শরীরে ছত্রাকের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, কিছুটা ছোঁয়াচে। ডাক্তার শুরুতেই বলে থাকেন আতঙ্কিত না হতে। এটি একটি রোগ এর চিকিৎসা রয়েছে এবং বাংলাদেশে এর উন্নত মানের চিকিৎসা সক্রিয় আছে। ডাক্তাররা রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। যেহেতু এটি ছত্রাক জনিত রোগ সেক্ষেত্রে অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্রিম ও ট্যাবলেট দিয়ে থাকেন। ক্রিম ছুলিযুক্ত অংশে দ্রুত কাজ করে আর ট্যাবলেট শরীরের ভিতর। এছাড়া এই রোগটি যে হয়েছে তা ডাক্তাররা নির্ণয় করেন মেক্সিন টেস্ট এর মাধ্যমে। সব দাগই কিন্তু ছুলি না। ছোট ছোট সাদা দাগ থাকে শরীরে যেগুলা ছুলির মতো প্রায় মনে হয়ে থাকে।কিন্তু সেগুলো ছুলির দাগ না, কারণ ছুলির দাগ হতে হলে একটা নির্দিষ্ট স্থানে লালচে বাদামী ছোপ ছোপ সাদা বা নীল খয়েরী রঙের দাগ হয়ে থাকে। এরপর যখন রোগ নির্ণয় হয়ে যায় তখন ডাক্তার চিকিৎসা শুরু করেন। বলে রাখা বাহুল্য চিকিৎসা ক্ষেত্র রোগী ভেদে সময় লাগে। প্রায় ছয় থেকে এক, দুই বছর অবধি সময় লেগে যেতে পারে চিকিৎসায়। ডাক্তাররা থেরাপি ও মেডিসিন দুটোর কম্বিনেশনে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। ছুলির জন্য নির্দিষ্ট থেরাপি আছে। এই থেরাপি নেওয়ার ফলে বিশেষ কোনো অসুবিধা হয়ে থাকে না। অন্যান্য থেরাপিতে যেমন দেখা যায় রোগী নিতেও পারে না বা নিতে পারলেও থেরাপি নেওয়ার সময় শারীরিক ও মানসিক কষ্ট হয়ে থাকে বেশি। এগুলা ছাড়াও দ্রুত কম সময়ে সেরে উঠা বা ছুলি দূর করার জন্য বিশেষ চিকিৎসা রয়েছে, বিশেষ চিকিৎসাটি হলো সার্জারি। সার্জারি করার মেশিনে দ্রুতই তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। আর এটি একটি উন্নত চিকিৎসা

কিছু ঘরোয়া উপায়ে ছুলি দূর করা

নানান ঘরোয়া উপায়ে ছুলি দূর করা যেতে পারে। কিছু উপায় দীর্ঘমেয়াদী কিছু উপায় স্বল্প মেয়াদী সময়ে ছুলি দূর করে থাকে।

লেবু দিয়ে

লেবুর রস মধ্যে থাকা এসিড ছুলি দূর করতে সাহায্য করে। একটা লেবু মাঝামাঝি বরাবর কেটে তাতে হাফ চামচ চিনি দিয়ে উপর থেকে লেবুর মাঝ বরাবর বসিয়ে অংশ রেখে ছুলি হওয়া অংশে ঘষতে হবে মাসাজ করতে হবে। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

টক দই

টক দইয়ে থাকা ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া যা উপকারী ব্যাকটেরিয়া সেটি ছুলি দূরীকরণে সাহায্য করে। টক দই নিয়ে সেটি ছুলি হওয়া স্থানে দিয়ে ঘষতে হবে তিন মিনিট তারপর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর শুকাতে হবে জায়গাটি।
আরো পড়ুনঃটমেটোর রস

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা জেলির সাথে অংশ নিয়ে সেটি ছুলির স্থানে ম্যাসাজ করতে হবে। অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য উপকারী তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

টমেটোর রস

টমেটো থেকে পাওয়া টমেটোর রস সাথে নিয়ে ছুলির জায়গায় একটু ডলতে হবে। ১৫ মিনিট মতো তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে শুকাতে হবে।
আরো পড়ুনঃ

লেবুর রস

লেবুর রস কিন্তু ভালোই উপকারি। লেবুর রস সাথে নিয়ে ছুলির অংশে ভালো মতো মালিশ করা লাগবে। মালিশ শেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়াও বেকিং সোডা, কফি পাউডার দিয়েও ছুলি দূর করা যায়।

ছুলি একটি ছোঁয়াচে রোগ তাই নিয়ে ভয় হতাশ হবেন না বরং সঠিক উপকারি পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। ছুলি সেরে গেলে দাগ থেকে যায় এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই একটু সময় পর দাগও চলে যায়। যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথায 

ছুলি একটি ছোঁয়াচে রোগ তাই নিয়ে ভয় হতাশ হবেন না বরং সঠিক উপকারি পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। ছুলি সেরে গেলে দাগ থেকে যায় এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই একটু সময় পর দাগও চলে যায়।যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ  যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ যথাযথ য



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইডিক্লি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Bishal Sardar
Md. Bishla Sardar
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ইডিক্লির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তার এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিইয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।